1. admin@nayaalo.com : Ashrafhabib :
  2. nayaalo.com@gmail.com : News Desk : News Desk
ইটালিতে মৌসুমি ও স্পন্সর ভিসা: বাংলাদেশিদের যা জানা প্রয়োজন। - Nayaalo
শিরোনাম
ভৈরবে বিশ্ব রক্ত দাতা দিবসে র‌্যালী আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে পালিত। ভৈরব-কুলিয়ারচরে নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা ভৈরবে কেন্দ্রীয় যুব কমান্ড এর সভাপতি নজরুল বেপারীর জন্মদিন পালিত। ভৈরবে নানা আয়োজনে যায়যায়দিনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত। চট্রগাম সীতাকুণ্ডে আগুন: ফায়ার সার্ভিসের ৮ কর্মীসহ ৫০ মরদেহ উদ্ধার! ভৈরবে রমণীর রঙ মেকওভার বুটিকস এন্ড টেইলার্সের শুভ উদ্বোধন। ভৈরবে শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল। ভৈরবে আল-শেফা জেনারেল হাসপাতালে অদক্ষ ব্যক্তির দ্বারা ভুল ইনজেকশনে ১৫ দিনের শিশুর মৃত্যু,থানায় অভিযোগ। ভৈরবে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ এর আয়োজনে মেধা সম্মাননা-২০২২ আশুগঞ্জে ভূমিদস্যু আনারকলির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ!

ইটালিতে মৌসুমি ও স্পন্সর ভিসা: বাংলাদেশিদের যা জানা প্রয়োজন।

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৯৬ Time View

ইটালিতে মৌসুমি ও স্পন্সর ভিসা: বাংলাদেশিদের যা জানা প্রয়োজন।

অনলাইন ডেস্ক:
সম্প্রতি ইটালিতে কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে সিজনাল ও স্পন্সর ভিসার ডিক্রি ও গ্যাজেট প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা ধরনের চটকদার বিজ্ঞাপন৷ আগ্রহী বাংলাদেশিদের কোন কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত সেটি নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন৷

বাংলাদেশসহ আরো বেশ কিছু দেশ থেকে ৬৯,৭০০ জন অভিবাসীকর্মী আনার অনুমতি দিয়ে ২০২১ সালের ২১ ডিসেম্বর একটি ডিক্রি জারি করে ইটালির শ্রম ও সামাজিক পরিকল্পনা বিষয়ক মন্ত্রণালয়৷ যেখানে কোন খাতে কতজন এবং কোন কোন দেশ থেকে আসতে পারবেন সেটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে৷

জারিকৃত ডিক্রিটি গ্যাজেট আকারে প্রকাশিত হয় ১৭ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে৷ প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী নন সিজনাল ওয়ার্কার, স্টার্ট আপ বা উদ্যোক্তা ভিসায় ইটালিতে আসতে আগ্রহীরা ২৭ জানুয়ারি থেকে সরকারের নির্দিষ্ট দপ্তরে আবেদন করতে পারবেন৷

অপরদিকে সিজনাল বা মৌসুমি ভিসার আবেদন করা যাবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে। উভয় ক্ষেত্রে আবেদনের সময়সীমা থাকবে ১৭ মার্চ, ২০২২ পর্যন্ত৷
এই কাজের ভিসাগুলো বিশেষ করে বাংলাদেশ, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, বসনিয়া ও হ্যারৎসেগোভিনা, উত্তর কোরিয়া, আইভরি কোস্ট এবং মিশর থেকে আসা অভিবাসী কর্মীদের প্রদান করা হবে।

ইটালির শ্রম ও সামাজিক পরিকল্পনা বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোট ভিসার মধ্যে ১৪ হাজার কোটা কৃষিখাতের মৌসুমি বা সিজনাল ভিসার জন্য নির্ধারিত থাকবে। এছাড়া ২৬ হাজার কোটা স্পন্সর ও উদ্যোক্তা ভিসার জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে যার মধ্যে ২০ হাজার কোটা নির্মাণখাত, সড়ক ও যোগাযোগ এবং হোটেল রেস্তোরাঁর জন্য বরাদ্দ থাকবে।

সরাসরি আবেদনের কোনো সুযোগ নেই
ইটালি বা যেকোন দেশে কর্মী নিয়োগের কোনো সার্কুলার দেয়া হলে বাংলাদেশ থেকে আগ্রহী বেশিরভাগ আবেদনকারী সাধারণত বেসরকারি এজেন্সিগুলোতে ভীড় করেন৷ কিন্তু এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে মধ্যপ্রাচ্য বা অন্যান্য দেশগুলোর মতো ইটালিতে চাইলেই কোনো এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করা যায় না৷

কৃষি, হোটেল-রেস্তোরাঁ, নির্মাণ খাতসহ সার্কুলারে তালিকাভুক্ত খাতগুলোতে মৌসুমি ও স্পন্সর উভয় ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন একমাত্র নিয়োগকর্তা৷ অর্থাৎ, ইটালিতে কৃষি বা অন্যান্য খাতে ব্যবসা করছেন এমন কোনো মালিক যদি তার প্রতিষ্ঠানের জন্য কর্মীর প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে তিনি আবেদনকারীর বিস্তারিত তথ্য ও যাবতীয় সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে সরকারের নির্দিষ্ট দপ্তরে আবেদন করবেন৷
সরকার যাচাই বাছাই করে আবেদন মঞ্জুর করলে পরবর্তীতে নিয়োগকর্তা ভিসাসহ অন্যান্য প্রস্তুতির জন্য আবেদনকারীকে অবহিত করবেন৷
অবৈধ এজেন্সি ও অবাস্তব বেতন নিয়ে সতর্কতা
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আবেদনকারীরা ইটালির বেতন কাঠামো এবং যাবতীয় তথ্য যাচাই না করেই অনেকসময় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার মতো বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যান৷

পরবর্তীতে দেখা যায় একজন ব্যক্তি যে পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে ইটালিতে এসেছেন সেটি তার পুরো বছরের বেতনের সমান বা তার থেকেও কম৷ অনেক অসাধু ব্যবসায়ী আছেন যারা তাদের ব্যবসায় প্রয়োজনীয় কর্মী না লাগার পরেও শুধু মৌসুমি মুনাফা লাভের আশায় বিপুল অর্থের বিনিময়ে লোকজনকে ভিসার প্রস্তাব দিয়ে থাকেন৷
যেখানে একটি মৌসুমি ভিসার মেয়াদ থাকে মাত্র ছয় মাস সেখানে চুক্তিতে থাকা কর্মঘণ্টার দ্বিগুণ কাজ করার পরেও একজন ব্যক্তির পক্ষে এত বিশাল অংকের টাকা আয় করা সম্ভব হয়ে উঠে না৷ এছাড়া অনেক অভিবাসীকে মৌসুমি ভিসার মেয়াদের পরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যেতে বলা হয়৷ এমন পরিস্থিতিতে তারা বিপদে পড়েন৷ বসবাসের অনুমতি দেয়ার যৌক্তিক কারণ না থাকায় পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশে তাদের আশ্রয় আবেদন বাতিল হয়ে যায়৷
ইতোমধ্যে গ্রিস ও জার্মানি থেকে এমন অনিয়মিত বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো শুরু হয়েছে৷
ভাষা ও কারিগরি দক্ষতা
কোনো আবেদনকারী যদি যথাযথ নিয়োগকর্তা যোগাড় করতে সক্ষম হোন তাহলে আবেদনের পাশাপাশি তিনি যে কাজের জন্য যাবেন সেই বিষয়ে তার পর্যাপ্ত কারিগরি দক্ষতা এবং ন্যূনতম ইটালীয় ভাষা জানা থাকা উচিত৷
যেমন কেউ যদি নির্মাণ খাতে সাধারণ বা আধাদক্ষ কর্মী হিসেবে আসতে আগ্রহী হন তাহলে ইটালির আবহাওয়া এবং নির্মাণখাতের কাজের পরিবেশ সম্পর্কে মানসিক প্রস্তুতি নেয়া উচিত৷
এটি হোটেল-রেস্তোরাঁ, কৃষিসহ সব খাতে আসতে আগ্রহীদের জন্যই প্রযোজ্য৷ বিগত বছরগুলোতে এসব ভিসায় এসে অনেকেই অনিয়মিত অভিবাসীতে পরিণত হওয়ার পর তাদের পুনরায় বৈধতা পেতে বছরের পর বছর সময় লেগেছে৷ আবার অনেককে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে৷

সর্বোপরি একজন আবেদনকারীর উচিত সরকারি বেতন কাঠামো এবং থাকা-খাওয়াসহ যাবতীয় খরচ সম্পর্কে অবগত হয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া৷ বিপুল অংকের অর্থের বিনিময়ে ভিসার প্রস্তাব দেয়া নিয়োগকর্তারা অনেক ক্ষেত্রেই অসাধু ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন৷
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ইনফোমাইগ্রেন্টস ইউরোপে নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য ও সংবাদ পরিবেশন করে থাকে৷ অসাধু ব্যবসায়ী বা ট্র্যাভেল এজেন্টের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারানোর আগে ইউরোপে কাজের ও অভিবাসনের পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য নিন৷ ঝুঁকিপূর্ণ পথে ইউরোপ আসতে গিয়ে প্রতি বছর প্রাণ হারাচ্ছেন হাজারো অভিবাসী৷ নিরাপদ অভিবাসনকে হ্যাঁ বলুন আর অসাধু ব্যক্তি ও পাচারকারীদের প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকুন৷
এমএইউ/এফএস

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 নায়াআলো ডটকম
Site Customized By NewsTech.Com