রবিবার, ০৭ জুন ২০২০, ০২:০৬ অপরাহ্ন

বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা-সংকট ও প্রতিকার- লায়ন কামাল।

  • আপডেট : সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০১৯
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা-সংকট ও প্রতিকার

বাংলাদেশ প্রাইভেট কিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন (বিপিসিডিও) একটি সংবিধিবদ্ধ নিবন্ধিত ও বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক স্বীকৃত বানিজ্যিক সংগঠন এবং বাংলাদেশের প্রায় ১১০০০ কিনিক ও ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠান এই সমিতির সদস্য। সরকারি স্বাস্থ্য সেবার পাশাপাশি বেসরকারি এই প্রতিষ্ঠানগুলি সহায়ক হিসাবে WHO এর হিসাব অনুযায়ী ৫৫% রোগীর চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করেছে।

ফলে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ গুলির মধ্যে স্বাস্থ্য সেবায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য লাভ করেছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সেবার সুচকমান প্রতিবেশী দেশগুলির তুলনায় অনেক উপরে। বিশেষ করে টীকা, শিশু মৃত্যুর হার, প্রসূতী মৃত্যুর হার, প্রসূতী সেবার আওতা ইত্যাদি সূচক গুলিতে এবং হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়বেটিস, কিডনী, ট্রমা, সংক্রামক ইত্যাদি রোগ চিকিৎসায় ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। গড় আয়ু বৃদ্ধিতেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। বেসরকারী সেবা খাতের উন্নয়ন ব্যাতিরেকে এই সাফল্য অর্জন কোন ভাবেই সম্ভব ছিলনা।

যার স্বীকৃতি স্বরূপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন । অভিনন্দন জানাই বাংলাদেশ সরকারকে সেবা খাতকে উৎসাহ দেয়ার সেবা বান্দব নীতিমালা গ্রহণের জন্য।

সম্প্রতি বেসরকারী হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়নের জন্য অনলাইন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। আমরা বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-কে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই। কিন্তু অনলাইন ফর্ম পূরণ বাস্তব সম্মত নয়। অনলাইন ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রে বাস্তবতা বিবেচনা না করা হলে এই শিল্পে ব্যাপক ক্ষতি ও স্বাস্থ্যখাতে ধ্বস নামার সমূহ আশংকা তৈরি হয়েছে বলে বাংলাদেশ প্রাইভেট কিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক ওনার’স এসোসিয়েশন মনে করে।

১৯৮২ সালের বেসরকারী কিনিক স্থাপনের নীতিমালা অনুসারে প্রতি ১০ শয্যার জন্য ৩ জন এমবিবিএস চিকিৎসক ও ৬ জন ডিপ্লোমা নার্স আবশ্যক। আমাদের জানামতে ডিজিএইচএস এর লাইসেন্সধারী কিনিক/হাসপাতালের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার এবং শয্যা সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক। ডায়গনস্টিক ল্যাবের সংখ্যাও পাঁচ সহ¯্রাধিক। ইহা ছাড়া লাইসেন্স নেই এমন কিনিকের সংখ্যাও কয়েক হাজার।

এই সকল কিনিকগুলো চালু রাখতে প্রায় ৪০ হাজার চিকিৎসক ও এক লক্ষ বিশ হাজার নার্সের প্রয়োজন। পক্ষান্তরে বর্তমানে আমাদের দেশের মাত্র ত্রিশ হাজার চিকিৎসক ও ১২০০০ নার্স বিদ্যমান যা তীব্র প্রশিক্ষিত জনবল ঘাটতির কথা বলে। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালগুলোতেও জনবল স্বল্পতা বিদ্যমান। সরকার জনবলের এই বিষয়টি অবগত থাকা সত্ত্বেও কেন এতগুলো অর্থাৎ প্রায় পাঁচ হাজার কিনিক/হাসপাতালকে লাইসেন্স প্রদান করা হলো?

যেহেতু লাইসেন্স প্রাপ্তির পর এই সকল কিনিক/হাসপাতাল মালিকেরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং লক্ষ লক্ষ রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থাপনা করেছে, বিপুল সংখ্যক জনগনের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে। সরকার ন্যূনতম জনবলের বিষয় আমলে নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান গুলোকে লাইসেন্স প্রদান করেছে। এখন অনলাইন ন্যূনতম বিষয়টি আর বিবেচনা করছেনা। একজন চিকিৎসক বা নার্সকে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ফলে এক প্রতিষ্ঠান টিকবে অন্যটি বন্ধ হয়ে যাবে। চিকিৎসক/নার্সদের বেতনের দরকষাকষিতে কিনিক পরিচালনা ব্যায়ও বহুগুন বৃদ্ধি পাবে যা শেষ পর্য়ন্ত স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণে রোগীদের উপর বর্তাবে। অন্যদিকে এখন এগুলো বন্ধ হলে এই বিনিয়োগ ও কর্মচারীদের কি হবে?

জনবল তৈরীর দায়িত্ব সরকারের সুতরাং যতদিন পর্যন্ত পর্যাপ্ত জনবল তৈরী না হয় ততদিন পর্যন্ত লাইসেন্সধারী সকল প্রতিষ্ঠানের নবায়ন আগের নিয়মে অর্থাৎ ন্যূনতম জনবলের ভিত্তিতে চলমান থাকুক এবং চিকিৎসক/নার্সদের একাধিক হাসপাতালে কাজ করার সুযোগ বিদ্যমান থাকুক।

একটি কিনিক/হাসপাতাল প্রতিষ্ঠান চলমান রাখার জন্য যে লাইসেন্স বা অনুমতি প্রয়োজনঃ

১। ট্রেড লাইসেন্স ৮। ফায়ার ব্রিগেড লাইসেন্স
২। কিনিক/হাসপাতাল লাইসেন্স
৯। পরিবেশ ছাড়পত্র
৩। ব্লাড ব্যাংক ১০। বর্জ্য নিষ্কাশন চুক্তি
৪। ড্রাগ লাইসেন্স ১১। ভ্যাট নিবন্ধন (লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে)
৫। প্যাথলজি ১২। ট্যাক্স/উৎস কর
৬। নারকোটিক্স ১৩। টিন সার্টিফিকেট
৭। এক্সরে

বাধ্যতামূলক এতগুলো লাইসেন্স করে, অন্য আর কোন ব্যবসা পরিচালনা করতে হয় কিনা আমাদের জানা নেই। উপরোক্ত লাইসেন্স (২-৯) গুলি ওয়ানষ্টপ সার্ভিসে আনা অত্যন্ত জরুরী।

নারকোটিক্সের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হলে উহা সহজ লভ্য হবে বিধায় মরফিন/প্যাথিডিন এর করাল থাবা সমাজে সম্প্রসারিত হবে বলে আমাদের আশংকা। তাছাড়া পাঁচ হাজার কিনিকের সকলকে নারকোটিক্স লাইসেন্স দেয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ সকল রোগীদের নারকোটিক্স ড্রাগ দেয়ারও প্রয়োজন নেই। নারকোটিক্সের বিকল্প ব্যাথানাশক অনেক ঔষধ বাংলাদেশে পাওয়া যায়। অনলাইনে কিনিক লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য নারকোটিক্স লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোন কিনিক/হাসপাতালে যদি শয্যা, প্যাথলজি, ব্লাড ব্যাংক, এক্স-রে ফার্মেসী থাকে তবে এক লাইসেন্সে এগুলো একত্রে প্রদান করা সমীচিন। শুধুমাত্র যেখানে ডায়াগনস্টিক ল্যাব আছে তার লাইসেন্স পৃথক হওয়া যুক্তিযুক্ত।

সাধারণ কিনিকাল বর্জ্য নিষ্কাশনে এনজিও যেমন প্রদীপন প্রিজম কাজ করে থাকে। এর পিছনে প্রতিটি কিনিকের বছরে পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লক্ষ পঞ্চশ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়। সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা এ খাতে কোন আর্থিক সাহায্য দেননা অন্য দিকে ট্রেড লাইসেন্স, হোল্ডিং ট্যাক্স, সাইনবোর্ড লাইসেন্স ইত্যাদির ব্যয় অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আবার হাসপাতাল লাইসেন্স ও নবায়ন ফি বহুগুন বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিনিকের ক্ষেত্রে পূর্বে ধার্য ছিল পাঁচ হাজার টাকা বর্তমানে উহা বেড়ে সর্বনিম্ন চল্লিশ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। ডায়াগনষ্টিকের ক্ষেত্রে পূর্বে ধার্য ছিল এক হাজার টাকা এখন উহা বেড়ে সর্বনিম্ন বিশ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। আবার ব্লাড ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য এক লক্ষ টাকা সরকার কোষাগারে প্রদান করা লাগে। লাইসেন্স নবায়ন করার ফি এতগুন বেড়ে যাওযার নজির অন্য কোন ব্যবসায়ে আছে কিনা আমাদের জানা নেই।

অনলাইন ব্যবস্থায় বিশেষজ্ঞের চিকিৎসকের একাধিক কিনিক / ল্যাবে কাজ করার সুযোগ নেই। যেহেতু আমাদের দেশে কিনিক্যাল প্রাথলজি, বায়োকেমেস্ট্রি মাইক্রোবায়োলজির বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা কম, সেহেতু একজন বিশেষজ্ঞ একাধিক ল্যাবে কাজ করার সুযোগ থাকা উচিৎ। পুর্বেই উল্লেখ্য করা হয়েছে যে, আমাদের দেশে প্রশিক্ষিত জনবলের ঘাটতি সে কারণে আমরা বিশেষায়িত হাসপাতাল ব্যতিত আর কোন নতুন হাসপাতালের লাইসেন্স জনবলের ঘাটতি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দেওয়া বন্ধ করা হউক। পাশাপাশি আমরা বিদ্যমান লাইসেন্স প্রাপ্তদের প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে আরো সময় ও সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের আবেদন জানাচ্ছি।

তাছাড়া যত্রতত্র ব্যাংকের ছাতার মত যেসব মানহীন কিনিক / ডায়াগনষ্টিক ল্যাব গড়ে উঠেছে সেসব প্রতিষ্ঠান গুলোকে চিহ্নিত করে বন্ধ করে দেওয়া হউক।

পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স প্রাপ্তি ও দীর্ঘ সূত্রিতার বেড়াজলে আবদ্ধ ও অত্যন্ত জটিল। তাছাড়া এই ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য বিগত ২০ বছরের বকেয়া দাবী করা হইতেছে যা অযৌক্তিক। প্রতি বছর এই লাইসেন্স নবায়নে প্রয়োজনীয়তা কি সেটা বোধগম্য নয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের শুধু খবরদারী ছাড়া আর কোন বিষয়ে কোন সার্ভিস দেয় না। কিন্তু বিপুল অংকের অর্থ লাইসেন্স বা নবায়নের জন্য ব্যয় করতে হয়। পরিবেশ লাইসেন্স ফি ১০ হাজার থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। অনলাইনে লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য পরিবেশ ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

শ্রম অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও বাধতামূলক। বেশির ভাগ বেসরকারী হাসপাতালে প্রায় সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী স্থায়ী নয়। এই সকল কর্মচারী কিছু কাজ শিখলে বা অভিজ্ঞতা অর্জন করলে তাদের বেশির ভাগই অন্যত্র বেশি বেতনে চলে যান চিকিৎসকেরা বা নার্সরা সরকারী চাকরী পেলেই চলে যান। অন্যান্য স্টাফদের বেলায় ও তদ্রুপ ঘটে। সুতরাং এখানে শ্রম আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্র নাই বললেই চলে অথচ প্রতি বছর এই লাইসেন্স নবায়ন করা, পরিদর্শন মোকাবেল করা বাধ্যতামূলক। উল্লেখ্য শ্রম লাইসেন্স ফি পনের হাজার টাকা।
একটি মানসম্মত হাসপাতালের জন্য অনেকগুলো এক্স-রে ইউনিটের প্রয়োজন হয় যেমন জেনারেল এক্স-রে, ডেন্টাল এক্স-রে, মোবাইল এক্স-রে, সিটি স্ক্রান, মেমোগ্রাফি, ওপিজি, বি এমডি, সি- আরম ইত্যাদি। এই প্রতিটি ইউনিটের জন্য পৃথক পৃৃথক লাইসেন্স নিতে হয় ও প্রতি বছর উক্ত লাইসেন্সগুলি বিপুল অর্থ ব্যয় করে নবায়ন করতে হয়। এগুলো পরমানু শক্তি কমিশনের আওতাভূক্ত। এতগুলো লাইসেন্সের নবায়নের ঝুকি কেমন শুধুমাত্র ভুক্ত-ভোগীরাই জানেন।

২০০৯ সালে গৃহীত ভোক্তা সংরক্ষন আইনে ৭৩ নং ধারায় বেসরকারী স্বাস্থ্যসেবা পরিবীক্ষন বিষয়ে বলা হয়েছে :
ড় ৭৩(১) বেসরকারী খাতে পরিচালিত স্বাস্থ্য পরিসবা খাতে পরিলক্ষিত ত্রুটি-বিচ্যুতি উদঘাটন করিবার ক্ষমতা মহাপরিচালকের থাকিবে।

উপ-ধারা (২) এর বিধানের অধীন বেসরকারী স্বাস্থ্য পরিসেবা খাতে পরিলক্ষিত ত্রুটি-বিচ্যুতির বিষয়ে প্রতিকারমূলক কোন ব্যবস্থা মহা পরিচালক গ্রহন করিবেন না; তিনি সচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করিবেন মাত্র। সুনির্দিষ্ট এই আইন বলবৎ থাকা সত্ত্বেও ভ্রাম্যমান আদালত সাধারণ বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ক্যাটাগরীতে বিভিন্ন কিনিক বা ডায়াগনোষ্টিকে অভিযান চালিয়ে বিপুল অংকের জরিমানা ও কিনিক উদ্যোক্তাদের হয়রানির মুখে ঠেলে দেয়া হয়। অথচ ৭৩ নং অনুচ্ছেদ অনুস্রন করিলে কিনিক/ডায়াগনোস্টিকের অনেক অনিয়ম দূর হবে।

পরিশেষে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে বর্তমানে রেজিষ্টেশনের ফরমে সহনীয় পরিবর্তন না হলে প্রায় ৮০% কিনিক/ডায়াগনোষ্টিক বন্ধ হয়ে যাবে এবং রোগির বাড়তি চাপ সরকারী হাসপতালগুলোর উপর পড়বে। সরকারী হাসপাতালগুলো সেই চাপ নিতে সক্ষম নয়। ফলে সিংহ ভাগ রোগীরা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে এবং পার্র্শ্ববর্তী দেশে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হবে ফলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা দেশ থেকে চলে যাবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।

হাসপাতাল, কিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার পরিচালনায় ভালোমানের সাংবাদিকদের সহযোগিতা পেলেও ভূয়া সাংবাদিকদের প্রতারনার ফাঁদ, অপতৎপরতা, দৌরাত্ম্য অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে সাম্প্রতিক সময়ে চরমে পৌছেছে। তাই ভালোমানের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভাসহ ভূয়া, নামসর্বস্ব পত্রিকার সাংবাদিকদের নাম, ঠিকানা, পড়াশোনার দৌড়, ছবি ও অপকর্মের বিবরণ জানিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি রোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের সহায়তা করিতে হইবে।

বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার ক্ষেত্রে বিশেয় করে স্বাস্থ্য খাতে অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশ প্রাইভেট কিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক ওনার’স এসোসিয়েশন ভূমিকা রাখাতে পারে। সে ক্ষেত্রে লাইসেন্স কমিটি/ পরিদর্শন টিমে বাংলাদেশ প্রাইভেট কিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক ওনার’স এসোসিয়েশন-র প্রতিনিধি থাকা এবং নীতিনির্ধারনী বিষয়ে ষ্টক হোল্ডার হিসাবে বাংলাদেশ প্রাইভেট কিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক ওনার’স এসোসিয়েশন কে অর্ন্তভূক্ত করা হলে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভর হবে।

লায়ন মুহাম্মদ কামাল হোসেন
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মাতৃকা জেনারেল হাসপাতাল
ভৈরব, কিশোরগঞ্জ।
মোবাইল- ০১৭২০-০৪৪৪৭৩

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved Nayaalo.com 2020