1. admin@nayaalo.com : Ashrafhabib :
  2. nayaalo.com@gmail.com : News Desk : News Desk
হাওরে বোরো ক্ষেতে শীতের প্রভাব! - Nayaalo
শিরোনাম
ভৈরব চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে সভাপতি পদে আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মোশাররফ হোসেন ও সহ-সভাপতি পদে জাহিদুল হক জাবেদ বিজয়ী! ডিপজলের সম্মানহানি করার কোনো অধিকার নিপুণের নেই: দেলোয়ার জাহান ঝন্টু ভৈরবে “শেখ হাসিনা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি”অনুমোদন পেল। বাজিতপুর উপজেলার বাহেরবালী গ্রামে মিনহাজের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিরপরাধ তরুন সমাজ সেবক তানবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করায় পাল্টা মানববন্ধন রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজ, ভৈরব এর রোভার গ্রুপ বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ভৈরব শাখা ৩য় বারের মতো জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সংগঠনের স্বীকৃতি লাভ। নিরাপদ সড়ক চাই ভৈরব শাখার পরিচয় পত্র বিতরণ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত। নূরানী মশার কয়েল ফ্যাক্টরীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি ! বিএমডিসি ছাড়া ভুল চিকিৎসা হয়েছে বলার অধিকার কারও নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে মেয়ের মা যতো বেশি চালাক,সেই মেয়ের কঁপালে ততো তাড়াতাড়ি তালাক!

হাওরে বোরো ক্ষেতে শীতের প্রভাব!

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৭ জন দেখেছেন

 

আলি জামশেদ, নিকলী, কিশোরগঞ্জ।
অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে বোরো জমিতেও নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলেন জানান কৃষকরা। এ ঠান্ঠা দীর্ঘসময় থাকলে জমির ফলনে ক্ষতির সম্ভাবনার দুঃচিন্তায়ও আছেন অনেক কৃষক। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দাবি তাপমাত্রায় উন্নতি হলে এ সব সমস্যা তেমন একটা প্রভাব ফেলতে পারবে না। তারা আশা করেছেন তাপমাত্রায় উন্নতি ঘটাবে আর উন্নতি হলেই চারাগাছ দ্রুত সতেজতা ফিরে পাবে। ইউরিয়াসহ অন্যান্য কীটনাশকেও দ্রুত কাজ করবে। কৃষকের হাঁসি অমলিন থাকবে।

কিশোরগঞ্জের নিকলী, অষ্ট্রগ্রাম, ইটনা মিটামইনের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন হাওরসহ আশেপাশের অন্যান্য জেলার বেশ কিছু হাওরঘুরে সরেজমিনে দেখা মিলে প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে বোরো ধানের চারাগাছের সতেজতা তুলনামূলক অনেকটা কম। কোথাও কোথাও পুরো জমি হলুদ বর্ণের মনে হচ্ছে। কৃষকদের ভাষ্য সার ও কীটনাশক প্রয়োগেও তেমন কাজ হচ্ছে না প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে। কোনো কোনো জমির চারাগাছের পাতার হলুদ বর্ণ ধারণের পাশাপাশি জীর্ণশীর্ণ রূপ ধারণ করেছে। অনেক কৃষককে এ নিয়ে দুঃচিন্তায় থাকতে দেখা গেছে। তবে অনেকে আবার আশা করছেন শীত কমে গেলে সতেজতা ফিরে পাবেন। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে অনেকেই আবার সার ও কীটনাশকে জাতীয় ঔষধ প্রয়োগ করে চলেছেন তাদের জমিতে এই প্রচন্ড ঠান্ডার মাঝেও। হাওরে কৃষকদের ভাষ্য বছরে একটি মাত্র বোরো ফসল। এতে নির্ভর করে তাদের বাৎসরিক আয়ের হিসাব।
নিকলী গুরই গ্রামের বড় হাওরের কৃষক করিম মিয়া তার জমিতে সার ও কীটনাশক প্রয়োগের সময়ে আফসোসে বলেন, অতিরিক ঠান্ডার কারণে জমির চারাগাছের উপরের পাতার অংশে হলুদ বর্ণের ফেকাসে হয়ে যাচ্ছে। চারাগাছও তেমন একটা মোটা তাজা হচ্ছে না। বদ্ধ পানি বেশি ঠান্ডা বলে গাছের এই অবস্থা হয়ে আছে।
অষ্ট্রগ্রাম হাওরের মাঝারি কৃষক আলী নগর মধ্যেপাড়ার হারুন অর রশীদ বলেন, এই বছরের অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে কারণে ধানের চারাগাছ বেশী একটা উলেমেলে (বাড়ছে না)। অনেক গাছের পাতা হলুদ রঙের হয়ে যাচ্ছে। তবে দুইদিন ধরে রোদ উঠার কারণে তিনি আশাবাদী ধান গাছের সব রোগ সেরে যাবে। গাছ বড় হয়ে যাবে এমনকি সার ও কীটনাশকে কাজ হবে নিয়মিত রোদ থাকলে।
বাজিতপুর হাওরে কৃষক দিলন মিয়া জানান, শীত বেশি থাকার কারণে জমিতে আগাছা পরিস্কার করার জন্য কাজের লোকও যেতে চায় না। কাজের লোকেরও বেতন বেশি দিতে হয়। ধানের চারাও বেশি একটা বাড়ছে না।
জেলা কৃষি অফিসার অফিস প্রধান মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার বলেন, তাপমাত্রার উন্নতি হলে হলুদ বর্ণের এই সমস্যা দ্রুত সমাধান সময়ে যাবে। তাছাড়া সঠিক মাত্রায় ইউরিয়া প্রয়োগের ফলে এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে আশায়করেন তিনি। এছাড়াও বাকী হলুদ বর্ণের ফেকাসে ও লিকলিকে সাদাটের ক্ষেত্রে তিনি আরো বলেন, ব্যতিক্রমী যে গাছগুলো রয়েছে সেগুলোকে বীজতলা থেকেই আলাদা করতে হয়। এগুলোকে জমির থেকে চারা অবস্থায় আলেদা করে ফেলে দেয়া উত্তম সমাধান।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর...
© All rights reserved © 2020-2024 নায়াআলো ডটকম
Developed By HM.SHAMSUDDIN