1. admin@nayaalo.com : Ashrafhabib :
  2. nayaalo.com@gmail.com : News Desk : News Desk
হাওরের মাছের কদর দেশ-বিদেশে পাশাপাশি গত অর্থ বছরে উৎপাদন প্রায় ৪৮ লক্ষ আর রপ্তানি প্রায় ৭০ লক্ষ মেট্রিকটন! - Nayaalo
শিরোনাম
বিএনপি নেতা শরীফুল আলম জামিনে মুক্তি। ভৈরব কেয়ার জেনারেল হাসপাতাল-এর পক্ষ থেকে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো.মালেক মিয়াকে শুভেচ্ছাজ্ঞাপন। ভৈরবে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন করার দায়ে চার প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ ২ হাজার টাকা অর্থদন্ড! ভাষা শহীদ‍দের প্রতি নিসচা ভৈরব শাখার বিনম্র শ্রদ্ধা ভাষা শহীদদ‍ের প্রতি “বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন” ভৈরব উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী। “বাংলাদেশ মসকুইটো কয়েল ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন নব গঠিত সভাপতি মো.কামরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মো.নুরুজ্জামান। নিরাপদ সড়ক চাই ভৈরব শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা।সভাপতি এসএম বাকী বিল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাল উদ্দিন। পিরিজকান্দি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত। ভৈরবে উদ্বোধন করবেন পৌর পার্ক এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী পাপন কে নাগরিক সংবর্ধনা। নিকলী উপজেলায় স্কুল মাঠে গরুর হাট!

হাওরের মাছের কদর দেশ-বিদেশে পাশাপাশি গত অর্থ বছরে উৎপাদন প্রায় ৪৮ লক্ষ আর রপ্তানি প্রায় ৭০ লক্ষ মেট্রিকটন!

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১৬ জন দেখেছেন

 

হাওর অঞ্চল থেকে ফীরে এসে
আলি জামশেদ,নিকলী ,কিশোরগঞ্জ।
নদী মাতৃক দেশ বাংলাদেশ। এ দেশের আনাচে-কানাচে সপিলাকারে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী ও খাল বিল। এ দেশের প্রধান নদীগুলোর অন্যতম হলো পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, কর্ণফুলী, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, পশুর, সাঙ্গু ইত্যাদি। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলা সিলেট ও সুনামগঞ্জের অন্যতম নদী সুরমা। বাংলার অপরূপ সৌন্দর্যের উৎস এ দেশের খাল-বিল, নদ-নদী। শুধু যে দেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি তা নয়, অর্থনৈতিক আয়েরও একটি বড় উৎস এই নদ-নদী।
সিলেটের উত্তর পূর্ব সীমান্তের নদী সুরমা উজানে ভারত থেকে নেমে আসা বাংলাদেশ সীমান্তে জকিগঞ্জের বরাক মোহনায় এর উৎপত্তি। সেখানে থেকে বাংলাদেশে প্রবাহমান হয়েছে দুই ভাগে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে। সুরমা নদীটি সুনামগঞ্জ থেকে সোজা দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী হয়ে কিশোগঞ্জের ইটনা থানায় প্রবেশের পর হয়েছে ধনু নদী নামে। এটি মিঠামইন ও নিকলীতে এসে ঘোড়াউত্রা নাম ধারণ করে বাজিতপুরের উপর দিয়ে কুলিয়ারচরের কাছে পতিত হয়েছে মেঘনায়। এই নদীর আশপাশের বিশাল হাওর অঞ্চলে নিচু বোরো ফসলি জমি। ভাটি অঞ্চলের এসব এলাকার নদীগুলো বর্ষায় প্লাবিত হয়ে পরিণত হয় বিশাল জলরাশিতে। নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে প্রতি মৌসুমেই মাছ চাষের উপযোগী হয়ে উঠে এখানকার হাওর।

কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জের এই হাওরে প্রাকৃতিকভাবে সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু মাছ উৎপাদন হয় বলে বিভিন্ন গবেষনায় উঠে এসেছে। হাওরের কৃষির পাশাপাশি মৎস্য আহরণও এখানকার মানুষের প্রাণ হিসেবে ধরা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে মাছের অভয়ারণ্যের প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মৎস্য খাতের সাথে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। নদী-নালা, খাল-বিল ভরাট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ে হাওরে পানির না আসা, বিভিন্ন এলাকায় অপরিকল্পিত সড়ক নির্মাণ, কারেন্ট জালের অপব্যবহার, জলাশয় থেকে সেচে মাছ ধরা, ফসলের জমিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার করা, দেশি মাছের প্রজনন অনেকাংশে ব্যাহত হচ্ছে। তা ছাড়াও পোনা মাছ নিধনও এর একটি বড় অন্তরায়।
আন্তর্জাতিক বেসরকারি বিভিন্ন মৎস্য গবেষণার তথ্য মতে, পৃথিবীতে প্রায় ৩০-৪০ হাজার প্রজাতির মাছ রয়েছে। যদিও এ তথ্যের কিছুটা মতভেদ রয়েছে। তবে বাংলাদেশে ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ও ২৬০ প্রজাতির মিঠাপানির মাছের তথ্য মিলেছে। দেশের শতকরা ৬০ ভাগ আমিষের ঘাটতি মাছ থেকে পুরণ হয় বলে গবেষণায় উঠে আসে। পরিতাপের বিষয়, পৃথিবীর শতকরা ৯০ ভাগ মাছ অপরিণত অবস্থায় ধরা পরে বলেও মন্তব্য করেন গবেষকরা। এর পরও দেশে উৎপাদিত মাছ রফতানিতে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচের মধ্যেই রয়েছে এমন তথ্য মিলে। মাছ উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে শীর্ষ পাঁচে রয়েছে চীন, ভারত, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া। ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে উন্মুক্ত জলাশয় থেকে উৎপাদিত মাছ আহরণে বিশ্বের তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। দেশটিতে মোট মাছের উৎপাদন হয়েছে ৪৭ লক্ষ ৫৮ হাজার ৭৩১ মেট্রিকটন। মৎস্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে জানা গেছে ২০২১ ও ২০২২ অর্থ বছরে ৭৪ হাজার ৪৩ মেট্রিকটন মাছ বিদেশে রপ্তানি করা হয়। তবে চলতি ২০২২ ও ২০২৩ অর্থ বছরে কিছুটা কমে ৭০ হাজার মেট্রিকটনে নেমে আসে। তা থেকে অর্জিত আয় আসে ৪ হাজার ৭ শত ৯০কোটি টাকা।

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র মতে, বিভিন্ন হাওরে মাছ উৎপাদন হয় মুক্ত জলাশয় ও ইজারাদারদের তত্ত্বাবধানে। মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির মাধ্যমে স্থানীয়রা সাধারণত সরকারের কাছে থেকে মুক্ত জলাশয় ইজারা নিয়ে থাকেন। ইজারা মালিকরা বাৎসরিক হিসেবে ছাড়াও একাধিক সময়ের জন্য লিজ পাওয়ার সুযোগে অনেকেই দুই বা তিন বছর পরেও বিলের মাছ ধরেন। এতে করে পোনা মাছ ছাড়া, গাছের ডালপালা দিয়ে অভয়াশ্রমের ব্যবস্থাসহ প্রাকৃতিকভাবে মাছের রক্ষণাবেক্ষণ করেন ইজারাদাররা। সময় বেশি নেয়ার কারণেই এখানকার মাছের গুণগত মানও ভালো হয় বলে জানান হাওরের মৎস্য চাষীরা।
এ ছাড়া প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে বেড়ে উঠা হাওরের মাছ গোটা বিশ্বের ভোজন পিপাসুদের মনে স্থান করে নিয়েছে আবহমান কাল থেকেই। এ দেশের হাওরের মিঠা পানির মাছের কদর গোটা বিশ্বের মানুষের কাছে সমাদৃত। বিশেষ করে কিশোরগঞ্জের নিকলী, বাজিতপুর, অষ্ট্রগ্রাম, মিটামইন, কুলিয়ারচর ও ভৈরবের নদ-নদী, হাওর ও বিল প্রাকৃতিক মৎস্য আহরণের ক্ষেত্রে জেলার প্রধান উৎস। এ জেলায় ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে মোট ৯৪ হাজার ৮৮৭.১৯ মেট্রিকটন মাছ উৎপাদন হয়েছে বলে জেলা মৎস্য অফিস সুত্রে নিশ্চিত করে। এরই মধ্যে হাওর থেকে ২২ হাজার ২০.৫২ মেট্রিকটন। পুকুর থেকে ৫১ হাজার ৯২৭ মেট্রিকটন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা মৎস অফিসার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক নার্গিস সুলতানা।

কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মধ্যেবর্তী সীমানার ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাওর অঞ্চল থেকে ২০২১-২২ অর্থ বছরে মোট মাছ উৎপাদন হয় ৬৬ হাজার ৯০০ মেট্রিকটন। মুক্ত জলাশয় থেকে আহরণ করা হয় ৩৬.৫৩ মেট্রিকটন আর পুকুরে ৩৬ হাজার ৫ শত ১৯ মেট্রিকটন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এই এলাকার মাছের সুখ্যাতি রয়েছে দেশে-বিদেশে।

দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় ও ভারতের মেঘালয় সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন হাওরে প্রাকৃতিকভাবে মাছ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। গত ২০২১-২২ অর্থ বছরে সুনামগঞ্জে ১ লাখ ১৪ হাজার মেট্রিকটন মাছ উৎপাদিত হয়েছে বলে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামশুল করিম জানান। সুনামগঞ্জের হাওরগুলোর মধ্যে সদর উপজেলার আলোচিত বিল বড়দৈই। এছাড়াও রয়েছে তাহের পুরের টাঙ্গুয়ার হাওর, সদরের বেকার হাওর,সদরের শান্তিগঞ্জের হাওর ও শাল্লা উপজেলার চায়ের হাওরসহ প্রায় হাজার খানেক বিল।

মাছ চাষের গুরুত্বপূর্ণ অপর একটি জেলার নাম হবিগঞ্জ। এখানে ২০৬ বছর ধরে পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে সদর উপজেলাতে স্বনামধন্য পইল গ্রামে বৃহৎ মাছের মেলাও বসে। বিদেশে এখানকার মাছের পাশাপাশি শুঁটকিরও সুখ্যাতি রয়েছে। এই এলাকার মানুষের আয়ের একটি বড় উৎস মাছ আহরন। এখানে গত ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে মাছের উৎপাদন হয়েছে ৪৯ হাজার ৫৫০ মেট্রিকটন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা মৎস অফিসার মোহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমান মজুমদার।

বিপুল পরিমাণে মাছ উৎপাদন হয় নেত্রকোনা জেলায়ও। এখানকার বিভিন্ন উপজেলার হাওর থেকে মাছ আহরণের কথা জানা যআয় সরেজমিনে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান কবীর জানান, এ সব হাওর থেকে চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৯১ হাজার ৪৯৩ মেট্রিকটন মাছ আহরণ করা হয়েছে। এখানকার মাছ দেশের রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে রফতানি করা হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

 

মৎস্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে জানা গেছে হাওরের অধিকাংশ মাছ ও শুটকি প্রক্রিয়াজাত হয়ে রপ্তানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্যের ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের ৬০টি দেশে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখানকার মিঠা পানির মাছের কদর থাকায় অর্থনৈতিকভাবে বড় অবদান রাখছে। সব মৌসুমে এই সব হাওর থেকে মাছ আহরণ করা হলেও জেলেদের জালে সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে বর্ষা পরবর্তী সময়ে। এই সময়ে হাওর অঞ্চলের স্থানীয় খাদ্য চাহিদা তুলনামূলক বেশি পুরণ হয়।
হাওর অধ্যুষিত এ জেলায় কল-কারখানা তেমন একটা না থাকায় বৃষ্টির পানিতে প্রাকৃতিক জলজ খাবার খেয়েই এসব মাছ বেড়ে ওঠে। এখানকার পানি দূষণমুক্ত হওয়ায় এ মাছ খেতেও অত্যন্ত সুস্বাদু। ফলে সারাদেশসহ বিশ্বব্যাপী এ মাছের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। চিংড়ি মাছেরও এশে বেশ সুনাম আছে। মিঠা পানিতে এ দেশে ১২ প্রকারের চিংড়ি আর লোনা পানিতে ২৪ প্রকারের চিংড়ি পাওয়া যায় বলে জানান মৎস্য অধিদপ্তরের সুত্র। এসব হাওর ও নদী নালা থেকে বছরে উৎপাদন হয় ২৬০ মেট্রিকটন চিংড়ি। তবে পরিতাপের বিষয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও রপ্তানির ক্ষেত্রে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে বলেও জানা গেছে।

আলোচনা রয়েছে রপ্তানির পাশাপাশি মিয়ানমার, ভারত, চীন, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ থেকে হরেক রকমের মাছ আমদানিও করে থাকে বাংলাদেশে।

হাওর অঞ্চলের বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পাশাপশি বিরল প্রজাতির মাছেরও সন্ধান মিলেছে সাম্প্রতিক। অপরদিকে কিছু কিছু প্রজাতির মাছের বিলুপ্তির তথ্য উঠে এসেছে সরজমিনে। এখানকার হাওরেই প্রায় ২৬০ প্রকারের মাছের আভাস মিলে। তবে সচরাচর পাওয়া যাচ্ছে চিতল, কালিবাউশ, শোল, গজার, পাবদা, টেংরা, কই, শিং, মাগুর, বোয়াল, তেলাপিয়া, রুই , কাতলা, মৃগেল, ঘোড়ামুখ, পুটি, দেশী সরপুঁটি, মহাশোল, রিটা, ঘাউরা, শিলন দেশী পাঙ্গাস, বাচা, বাঘা আইড়। আগুন চোখা, বেতাঙ্গী, পাঙ্গা, গুতুম, বাইম, তারা বাইম, বেদেরে, কানোচ, দল মাগুর, হাঁড় কাটা, কোটা কুমিরের খিল নামক বিরল মাছসহ বিভিন্ন প্রকারের চিংড়ি। এছাড়াও নাম না জানা অনেক মাছের উপস্থিতির কথা জানান এখানকার জেলেও মাছ চাষীরা।
এই বিষয়ে সুনামগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ইসলামপুরের মৎস্যচাষী যুবক রিপন মিয়া ও অত্র এলাকার হাওরের বৃদ্ধ জেলে কামাল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের নাটাই বিরাসার বদ্ধ মৎস্যচাষী আবদুল্লাহ, নেত্রকোনার কেন্দুয়া পাইকুড়া বৈরাহাটির মনু মিয়া এবং কিশোরগঞ্জ নিকলী হাওরের একাধিক বিলের ইজারাদার মাজফারুল হকসহ অন্যান্য জেলার অসংখ্য হাওরে জেলেদের সাথে কথা হলে তারা হাওরের মাছের গুনাগুণসহ কদরের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কিছু সুবিধা ও অসুবিধার সুনির্দিষ্ট কারণও ব্যাখা করেন। তাদের ভাষ্যমতে তদারকির অভাবে পোনা মাছ নিধন, বোরো জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগ আর আশ্রয়ের স্থান ধ্বংস করার সুযোগ বন্ধ হলেই মাছের বংশ বিস্তার আরও বহু অংশে বেড়ে যাবে বলেও তারা তাদের যুক্তি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশের মাছের ভবিষ্যত সম্ভাবনার বিষয়ে মুঠোফোনে কথা হয় মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের সাথে। তিনি জানান মাছ চাষের ক্ষেত্রে সুফলের কথা। তবে রফতানির ক্ষেত্রেও সম্ভাবনা আগের তুলনায় অনেকটা উজ্জ্বল। বিশ্বব্যাপী এ দেশের মাছের কদর ইতিবাচক বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর...
© All rights reserved © 2022 নায়াআলো ডটকম
Developed By HM.SHAMSUDDIN