1. admin@nayaalo.com : Ashrafhabib :
  2. nayaalo.com@gmail.com : News Desk : News Desk
যৌনকর্মী দিয়ে সাজানো ধর্ষণ মামলার আসামি করা হয়েছে সাংবাদিক জামশেদকে! - Nayaalo
শিরোনাম
ভৈরবে আওয়ামী যুবলীগের সম্মেলনে হামলা ভাংচুরের অভিযোগে পৌর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার! ভৈরবে পথফুল ফাউন্ডেশনের ৫ম বর্ষপূর্তি উৎযাপন। সৌদি প্রবাসী ঐক্য পরিষদ, ভৈরব উপজেলা বি.এন.পি’র উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ। কাউন্সিল অব কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ (সিআরবি) মেলান্দহ হতদরিদ্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরন ও পরিচিতি অনুষ্ঠান গোল্ডেন লাইফ ইন্সুরেন্সের উপদেষ্টা এম.তৌহিদুল আলম এর সাথে ভৈরব সার্ভিসিং সেলের কর্মকর্তাদের ২০২৩ইং সালের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়। কুলিয়ারচরে অলিভ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে হতদরিদ্র বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাদের মাঝে হাটার লাটি বিতরণ। নাগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, কালিকা প্রসাদ এর কার্যালয় উদ্বোধন ও পরিচিতি সভা। আসন্ন ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মাঝি হয়ে জনগণের পাশে থাকতে চায় নজরুল বেপারী ভৈরবে ১০ বছরের সংসার জীবনে অবশেষে স্বামীর হাতে মৃত্যু!স্বামীসহ আটক ৩ জন।

যৌনকর্মী দিয়ে সাজানো ধর্ষণ মামলার আসামি করা হয়েছে সাংবাদিক জামশেদকে!

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২
  • ২২৬ জন দেখেছেন

প্রতিবাদের ভাষা স্তব্ধ করতেই এবার পেশাদার যৌনকর্মী দিয়ে সাজানো ধর্ষণ মামলার আসামি সাংবাদিক জামশেদসহ ৭০উর্ধ্বে তার চাচা ও ভাগ্নেকে।
আশরাফুল আলম :

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সাজনপুর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকসেবী পরিবারের মূল হোতা কাছুম আলীর ছেলে চানমিয়া আজ ইউপি সদস্য আর এই সুবাদে অপরাধ জনিত কর্মকাণ্ডের সুযোগ তার আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অভিযোগ শান্তি প্রিয় অত্র এলাকার অসংখ্য নিবর ভুভোগীর।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে চানমিয়া ও তার পরিবারের প্রধান পেশা মাদক ব্যবসা। এ ছাড়াও চুরি, ডাকাতি, যৌনকর্মীদের দিয়ে ভ্রাম্যমান ব্যবসা, লূটপাট, ভাংচুর, মাস্তানি, নারী নির্যাতন, অন্যের জমি জবরদখলসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপই তা্র মূল পেশা। তাকে বেশীরভাগ লোক গরু চোর চান মিয়া বলেই এখনো চিনেন। অবৈধ কার্যকলাপই চানমিয়ার পরিবারের আয়ের মূল উৎস ।হত্যাসহ নানা অপকর্মের দায়ে চানমিয়াও তার পরিবারের সদস্যরা অসংখ্যবার হাজত কাটেন। বর্তমানেও সহোদর ইকবাল এবং ছেলে হুমায়ূন ইয়াবা ব্যবসার দায়ে কিশোরগঞ্জ কারাগারে আছে। এই পরিবারের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা বিচারাধীন আছে।
চানমিয়া সম্পর্কে নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক মহিলা বলেন, চানমিয়ার আঘাতে পাশ্ববর্তী বাড়ির বিকলাঙ্গ হরিনার মতো অনেকেই মামলা ছেড়ে অবশেষে জীবন বাঁচাতে নতজানু হয়ে তার লালসার শিকার হয়েছে এমনকি তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীকে উল্টো সাজানো মামলার এবং শারীরিক নির্যাতনের আতংকে কালক্ষেপণ করতে হয়েছে। পার্শ্ববর্তী বাড়ীর হরিনার বাসর ঝিনু মিয়ার মেয়েও চানমিয়ার একই ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়ে মামলা করে আইনি প্রতিকার না পেয়ে হতাশ!
প্রভাবশালী কুচক্রী মহলের ছত্রছায়ায় আর পেশীশক্তির অধীকারি বিধেয় চানমিয়া তার প্রভাব খাটিয়ে দাপটের সাথেই এই সকল অপরাধ করেও দিনের পর দিন পার পেয়ে যাচ্ছে।
চান মিয়ার অপকর্মের প্রতিবাদ করায় প্রতিশোধের নেশায় অন্যের মাধ্যমে সাজানো মামলার জালে জড়িয়ে দিয়েছে আর কখনো নিজে সাক্ষী বনে গেছে আবার কখনোবা তার পরিবারের সদস্যদের দিয়ে সাজানো সাক্ষী তৈরি করে হয়রানি করেছে।
মামলার আসামি জামশেদ বলেন, চানমিয়ার অপরাধ সম্পর্কে একবাক্যে বলে শেষ করা যাবে না। সীমাহীন অপরাধের হোতা‌ চানমিয়া আজ সেরা মামলাবাজ এবং জনপ্রতিনিধি।
আমার ভাগ্নে রুবেলের নামে চাচাত বোনকে এবং চাচীকে দিয়ে উদ্ভট ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামি করে বিনা অপরাধে হাজতে কাটিয়ে চানমিয়া স্বার্থ হাসিল করে নিয়েছে। অথচ মেয়ের স্বামীর মৌলিক অভিযোগ ছিল “চানমিয়াই নিয়মিত তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করিতেন আর সাজানো মামলায় জড়িয়েছিল প্রতিবাদকারী চাচাত ভাই রুবেলকে। যার বাদী সুফিয়া আর নারী ও শিশু পিটিশন মুকাদ্দামা নং- ৩৩/২০২১ আর মা জিতু বেগমকে দিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-৪, কিশোরগঞ্জে করেছেন তার মামলা নং ৩৫/০৯ অবশেষে প্রমানিত হয়েছিল ঐ মেয়েটিকেই চান মিয়া ক্ষনিকের জন্য ১৪নং স্ত্রী বানিয়েছিল তবে উভয় সাজানো মামলায় ১নং সাক্ষী চানমিয়া নিজেই।
চান মিয়ার অপকর্মের বিরুদ্ধে লোকজন প্রকাশ্যে মুখ খুলতে ভয় পায় কারন তার পেশীশক্তির পাশাপাশি রয়েছে অপরাধ জগতের সকল গফফার আর কুচক্রী রাজনৈতিক মহলের সাথে নিবিড় সম্পর্ক।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাম্প্রতিক চান মিয়ার ছেলে ইয়াবা ও নারী ব্যবসায়ী কাইয়ুম মিয়া মঞ্জুয়ারা নামের এক ইয়াবা ও দেহব্যবসায়ীকে পাতানো স্ত্রী সাজিয়ে সাজনপুর গ্রামের দক্ষিণ হাটির সাবেক ইউপি সদস্য ৭০উর্ধ্বে মশ্রব আলী ও তার ভাতিজা জামশেদ আলী এবং নাতি কাশেম(৪০) এর বিরুদ্ধে গত ১২ই এপ্রিল, ২০২২খ্রি. রোজ মঙ্গলবার একটি সাজানো ধর্ষণ মামলার অভিযোগ তুলেছেন। উল্লেখ্য জামশেদ আলী ঐ মেয়ে এবং পাতানো স্বামী কাইয়ুমের অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে (Jamshad kishoregonj), গত ২৯শে মে,২০২০ খ্রীষ্টাব্দে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করায় কাইয়ুমসহ চানমিয়ার পরিবার এবং উক্ত যৌনকর্মী মেয়েটি জামশেদের উপর ক্ষিপ্ত হয় আর অন্যান্য প্রতিবাদকারীদেরকে চানমিয়ার পরিবারের লোকজন প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিসহ একাধিকবার ধস্তাধস্তির মাধ্যমে সম্ভ্রমহানি করেন। জামশেদ এর অভিযোগ “প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপে আবারও কিশোরগঞ্জ আদালতে গত ১২ই এপ্রিল ২০২২খ্রি. রোজ মঙ্গলবার নারী শিশু পিটিশন মামলা নং ৬৭/২০২২” উক্ত পিটিশন মামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে cid বরাবরে।
মামলার অভিযোগে বাদী মঞ্জুয়ারার পরিচয় দিয়েছে তিনি একজন গার্মেন্টসকর্মী। রাতে তিনি এগারো সিন্ধুর ট্রেনে ঢাকা হতে সরারচর হয়ে নিকলী সাজনপুরে সি.এন.জি দিয়ে ফেরার পথে নামিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। অথচ সিএনজির চালককেও সাক্ষী করা হয়নি। স্থানীয় চেয়ারম্যান,অন্য কোন জনপ্রতিনিধি কিংবা গনমাধ্য কাউকে ঘটনাটি জাননো হয়নি। ঘটনাটি জানানো হয়েছে গত ১০ই এপ্রিল যারা নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ও তান্ডব চালিয়ে ধর্ষণ মামলার ২নং আসামি আবুল কালামের ঘর-বাড়ী ও দোকান পাট লুটপাট করেছে। পূর্ব ইংগিত পেয়ে নিরাপত্তার লক্ষ্যে আবুল কাশেম নিকলী থানায় সাধারণ ডায়রীও করছিল। পরবর্তীতে সময়ে গত ১০ই এপ্রিল ২০২২খ্রি. রোজ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় নিকলী থানায় লুটপাট ভাংচুরের একটি মামলাও করছিল। যার মামলা নং-৬৪/২০২২
অথচ মঞ্জুযারার সাজানো ধর্ষণ মামলার সকল সাক্ষী করা হয়েছে ২নং আসামির অভিযুক্ত সকল বিবাদীকে।
মঞ্জুয়ারা ঢাকার কোন গার্মেন্টসে চাকরি করে তাও সুস্পষ্ট নয় আর লিখেছেন কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলার সাজনপুর গ্রামের কাইয়ুমের স্ত্রী। এই ঘটনায় মনঞ্জুয়ারার প্রকৃত পরিচয় ও তার কার্যক্রম খতিয়ে দেখার বিষয়ে অনুসন্ধানী কর্মকর্তাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন সাজানো মামলার সর্ব আসামিগন।
আসামিদের দাবি তিনি একজন পেশাদার যৌনকর্মী, ইয়াবা সেবনকারী এবং বিক্রয়কারি। চানমিয়ার প্ররোচনায় তিনি এই সাজানো মামলা দায়ের করেছেন।
শুধু তাই নয় নিকলী থানার একদল পুলিশ মেয়েটির অবৈধ কার্যকলাপের বিষয়ে খবর পেয়ে গত প্রায় ৩মাস পূর্বে অনুসন্ধানে নামেন এবং মেয়েটিকে গ্রেফতারও করেন। অবশেষে চানমিয়া নিজেই থানা হতে কৌশলে স্বজন পরিচয় দিয়ে ছাড়িয়ে নেন।
এই ঘটনার পরবর্তী প্রায় মাসখানেক পরেই ছেলে কাইয়ুমও ইয়াবাসহ নিকলী থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক বলেন, চানমিয়ার ডজনের উপর স্ত্রী আছে এরি মধ্যে বেশীরভাগই অবৈধ কার্যকলাপের লিপ্ত আর সন্তান সন্ততি এবং মেয়ের জামাতা পর্নন্ত মাদক সেবন এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। চানমিয়া যুবসমাজ ধ্বংসকারী এবং জাতির অভিশাপ। তার মতো লোকের কঠিন শাস্তি হওয়া দরকার।
মামলার ২নং আসামি আবুল কাশেমর অভিযোগ তার চাচার সাথে পারিবারিক জমিসংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসাবে চানমিয়ার নেতৃত্বে গত ১০ই এপ্রিল,২০২২ খ্রী. রোজ রবিবার ভোরবেলা তার দোকানপাট লুটপাট করে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাড়া করে। জীবন বাঁচাতে সে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী এবং বাবার উপর নির্যাতন পূর্বক দোকান পাটের সব মালামাল লুটে নেয় এবং এই ঘটনার সময় তার পিতার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় থানায় ভিন্নখাতে একটি মামলা দায়েরের করা হলেও আদালতে আবুল কাশেম পিতার মৃত্যুর কারণ তুলে ধরে গত ১৭ই এপ্রিল,২০২২খ্রী. রোজ রবিবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-৪, কিশোরগঞ্জ বরাবরে মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় ১৫জনকে মূল আসামি করে বাকী ৬জনকে অজ্ঞাত নামা আসামি করা হয়। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় নিকলী থানাকেই যদিও বাদী পক্ষের আইনজীবি সঠিক বিচারের লক্ষ্যে মামলার তদন্ত তদন্তভার অন্যত্র চেয়েছিলেন।
কাশেম আরো বলেন, চান মিয়ার অপরাধের সঙ্গী জসীমের স্ত্রী অর্থাৎ চানমিয়ার চাচাত বোনকে দিয়েও চানমিয়া একটি মামলা করান। নিকলী থানার মামলা নং- ১০/৩০ নারী শিশু মোকাদ্দমা ১৭৮/০৬ এবং ০৫ (০৬) ০৬ ধারায় দীর্ঘদিন হাজত কাটান।
এ ছাড়াও চান মিয়া তার জমি এবং বাড়ী পর্যন্ত দখল করে রেখেছে। আদালতে যার ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল মোকাদ্দমা নং-১৫৪৪৬/২০১৫ বিচারাধীন। এখন পর্যন্ত ঘরের যাবতীয় সকল মালামাল লুটে নিয়ে যাচ্ছে এমনকি তাকে হত্যার প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। যে কোন মুহুর্তে তার প্রান নাশের আশংকা বিদ্যমান।
আবুল কাশেমের অভিযোগ আবারও হয়রানির উদ্দেশ্যে উল্টো তার বিরুদ্ধে একটি পেশাদার যৌনকর্মী দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে হয়রানি করছেন।
এই সকল কুচক্রী মহলের জগন্য অপকর্ম অবলোকনে একজন শিক্ষিত যুবক বলেন জারইতলা ইউনিয়নের বিশেষ করে সাজনপুর আঠার বাড়ীয়া গ্রামে কোন ন্যায় বিচার নেই বললেই চলে। ন্যায় বিচার থাকলে এতোটা অবিচার হতো না।


মামলার অন্যতম আসামি মশ্রব আলী্ অভিযোগ করে বলেন, চানমিয়া মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি পূর্বক মানি লোকের মান নষ্ট করে। ২০২১ সালে চানমিয়ার স্ত্রীকে দিয়ে আদালতে নন জি.আর ৩৬/২১ একটি সাজানো মামলা দিয়ে আমার ছেলে মাসুদ এবং নাতি শাহ আলমকে সাজানো মামলা দিয়ে হাজত খাটিয়েছেন।
জামশেদ আলী আরো বলেন, গত ১৪ এপ্রিল ২০২০খ্রী্. সরাচর রেলগেইট সংলগ্ন স্থানে একটি হত্যা হয়। বাজিতপুর থানা যার মামলা নং-০৩ উক্ত মামলায়ও চানমিয়া সাজানো সাক্ষী হয় এবং প্রধান ইন্ধন দাতা চানমিয়াও স্থানীয় কুচক্রী মহলের ইন্ধনে আমাকে অন্যতম আসামি করে মালামালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। যদিও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঠিক তদন্তে পেরেশানি শেষে মুক্তি মিলেছে।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আমার সদা আস্থা আবারও এই সাজানো মামলা হতে রেহাই পূর্বক অপরাধীদের বিচার পাবো।
এই বিষয়ে মামলার বাদী মঞ্জুরয়ারার সাথে যোগাযোগর চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর...
© All rights reserved © 2022 নায়াআলো ডটকম
Developed By HM.SHAMSUDDIN