1. admin@nayaalo.com : Ashrafhabib :
  2. nayaalo.com@gmail.com : News Desk : News Desk
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য প্রার্থী নিকলীর বাতেনের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ! - Nayaalo
শিরোনাম
ভৈরবে আওয়ামী যুবলীগের সম্মেলনে হামলা ভাংচুরের অভিযোগে পৌর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার! ভৈরবে পথফুল ফাউন্ডেশনের ৫ম বর্ষপূর্তি উৎযাপন। সৌদি প্রবাসী ঐক্য পরিষদ, ভৈরব উপজেলা বি.এন.পি’র উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ। কাউন্সিল অব কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ (সিআরবি) মেলান্দহ হতদরিদ্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরন ও পরিচিতি অনুষ্ঠান গোল্ডেন লাইফ ইন্সুরেন্সের উপদেষ্টা এম.তৌহিদুল আলম এর সাথে ভৈরব সার্ভিসিং সেলের কর্মকর্তাদের ২০২৩ইং সালের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়। কুলিয়ারচরে অলিভ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে হতদরিদ্র বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাদের মাঝে হাটার লাটি বিতরণ। নাগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, কালিকা প্রসাদ এর কার্যালয় উদ্বোধন ও পরিচিতি সভা। আসন্ন ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মাঝি হয়ে জনগণের পাশে থাকতে চায় নজরুল বেপারী ভৈরবে ১০ বছরের সংসার জীবনে অবশেষে স্বামীর হাতে মৃত্যু!স্বামীসহ আটক ৩ জন।

কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য প্রার্থী নিকলীর বাতেনের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ!

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ২১৯ জন দেখেছেন

বিশেষ প্রতিনিধি,শাহ আলম:
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের ১০নং ওয়ার্ড নিকলীর সদস্য পদে আবারো নির্বাচন করছেন মো.জাকির হোসেন (বাতেন)। তার প্রতীক টিউবওয়েল। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো.আবু তাহের। তার প্রতীক তালা মার্কা।আগামীকাল ১৭ অক্টোবর নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা ঘরে বসে নেই। মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন উভয় প্রার্থীর লোকজনই। দুই প্রার্থীই ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতি করেন। মো.আবু তাহের নিকলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। আবার আরেক প্রার্থী মো.জাকির হোসেন (বাতেন) উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য।
দুই প্রার্থীর মধ্যে মো.জাকির হোসেন (বাতেন) আবার ‘প্রভাবশালী’। এর কারণ তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী এক জনপ্রতিনিধির ঘনিষ্ঠজন বলে পরিচিত। ওই জনপ্রতিনিধির ছত্রছায়ায় থেকে তিনি তাঁর আখের গোছানো নিয়ে ব্যতিব্যস্ত ছিলেন। গতবারও তিনি জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন। সেসময় তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ ওঠে। নির্বাচনের ভোটার জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, এসব কারণে ‘এবার গণেশ উল্টে যেতে পারে’। অবশ্য মোঃ জাকির হোসেন (বাতেন) সেসব অভিযোগ স্বীকার করেননি।

জানা গেছে, জেলা পরিষদের ভোটার নিকলী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় ৯৩জন চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও সাধারণ সদস্য মো. জাকির হোসেন বাতেনের বিগত দিনের কর্মকান্ডে ক্ষুব্ধ। তারা এ নির্বাচনের ভোটারও। গত পাঁচ বছরে জেলা পরিষদ থেকে নিকলী উপজেলার উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মোট তিন কোটি ছয় লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা। এলাকার জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, বরাদ্দের তিন ভাগের এক ভাগ কাজও হতে দেখেননি তারা। অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দের বেশিরভাগ টাকাই ভাগ-বাটোয়ারা হয়েছে।

জেলা পরিষদ সূত্র জানায়, গত পাঁচ বছরে জেলা পরিষদের বরাদ্দে নিকলীতে মোট ১৬৮টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে বলে পরিষদের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে এর কোনো কোনো প্রকল্পে নামকাওয়াস্তে কাজ করা হলেও বেশিরভাগ প্রকল্পেই তিনি কাজ না করে টাকা লোপাট করেছেন বলে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। আবার ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কাজকে জেলা পরিষদের কাজ হিসাবে দেখিয়েও অর্থ আত্মসাৎ করার মতো জালিয়াতিপূর্ণ ও প্রতারণামূলক কাজের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মোঃ জাকির হোসেন (বাতেন) জারইতলা ইউনিয়ন পরিষদেরও সাবেক চেয়ারম্যান। জেলা পরিষদের মোট বরাদ্দের এক-তৃতীয়াংশের বেশি অর্থাৎ এক কোটি সাত লাখ টাকার উন্নয়ন দেখিয়েছেন তিনি তার নিজের ইউনিয়ন জারইতলায়। বাকি ছয় ইউনিয়নের জন্য ব্যয় দেখিয়েছেন এক কোটি ৯৯ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা। ইউনিয়নভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য ও নানা অনিয়মের কারণে জারইতলা বাদে বাকি ছয় ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।

জেলা পরিষদের সূত্র জানায়, জারইতলা বাদে বাকি ছয় ইউনিয়নের মধ্যে নিকলী সদর ছাড়া পাঁচ ইউনিয়নের জন্য মোট বরাদ্দ মাত্র এক কোটি ৫৮ হাজার ৩৩৩ টাকা। এরমধ্যে সিংপুরে ২৩ লাখ ১০ হাজার টাকা, দামপাড়ায় ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ টাকা, কারপাশায় ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, গুরুই ২২ লাখ ৫০ হাজার ও ছাতিরচরে ২১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেখিয়েছেন। তবে নিকলী সদর ইউনিয়নে মোট বরাদ্দ দেখানো হয় ৯৮ লাখ ৫৮ হাজার ৩৩৩টাকা।

সরেজমিন নিকলীতে গেলে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ বলেছেন, উপজেলা সদরের ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের রোষানল থেকে নিজেকে রক্ষায় জেলা পরিষদের সদস্য ও এবারের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন (বাতেন) সেখানে তুলনামূলক বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আবার ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে অন্যায় সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে তিনি নিজের ইউনিয়নে পাঁচ গুণ বরাদ্দ দিয়েছেন।

নিকলীর জারইতলা ইনিয়নের ‘ধারীশ^র স্কুলের রাস্তা পাকা ও প্যালাসাইটিং করণ’ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে চার লাখ টাকা। ইউনিয়ন পরিষদের একটি সূত্র জানাচ্ছে, স্কুলের রাস্তার প্যালাসাইটিং করা হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত এলজিএসপি-৩-এর খাত থেকে বরাদ্দের এক লাখ টাকায় টাকায়। জেলা পরিষদের এ প্রকল্পটিতে আগে নির্মিত প্যালাসাইটংয়ের কাজটিকে অন্তর্ভুক্ত করে অতিরিক্ত এক লাখ টাকা বিল তোলা হয়েছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্যালাসাইটিংয়ের সাইটে প্রকল্পের বিষয়ে যথারীতি সাদা পাথরে খোদাই করা সাইনবোর্ড রয়েছে। তাতে প্রকল্পের নাম লেখা রয়েছে, ‘২নং ওয়ার্ডের ধারীশ্বর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে প্যালাসাইটিং নির্মাণ। দৈর্ঘ্য ১৮ মিটার। অর্থবছর ২০১৮-২০। বাস্তবায়ন ২০১৯-২০। বরাদ্দের পরিমাণ এক লাখ টাকা’।

তালিকার ৫৮নং ক্রমিকে ‘গ্রীন বার্ড স্কুল উন্নয়ন’ নামের একটি প্রকল্পের নামে বরাদ্দ করা হয়েছে দেড় লাখ টাকা। একই প্রতিষ্ঠানকে ভিন্ন নামে ১০৮ নং ক্রমিকে ‘চারিগাতী গ্রীন বার্ড স্কুলের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আরো এক লাখ টাকা। আবার ৬৪ নং ক্রমিকে ‘চারিগাতী ইকরা গণপাঠাগার উন্নয়ন’ নামের একটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে দুই লাখ টাকা। পাঠাগারটির একটি সাইনবোর্ড রয়েছে এ প্রতিষ্ঠানের গেইটেই।

স্থানীয়রা জানায়, কথিত পাঠাঘারটি একই স্কুলের অন্তর্গত সাইবোর্ডসর্বস্ব একটি প্রতিষ্ঠান। ব্যক্তিমালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের নামে তিনদফায় জেলা পরিষদের সাড়ে চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী বলছেন, ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে জেলা পরিষদ সদস্যের বিশেষ সখ্যের কারণেই সরকারি টাকা এ খাতে নয়ছয় করা হয়েছে।

একজন বিশেষ ব্যক্তির নামে সম্প্রতি নামকরণ করা জারইতলা ইউনিয়নের একটি মসজিদ ও মাদরাসার নামে তিনদফায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সাড়ে ১১ লাখ টাকা। আবার একই প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় গরুর হাটের আয় থেকেও ইজারাদাররা নিয়মিত অর্থ যোগান দিচ্ছে বলে শোনা যায়। এলাকাবাসী জানায়, এক্ষেত্রেও টাকা-পয়সা বেহাত হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। তবে এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি।

জেলা পরিষদের টাকায় একই ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে ‘রসুলপুর হামিদুর রহমান সাহেবের পুকুর ঘাটলা নির্মাণ’ নামক প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে চার লাখ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ঘাটলা নির্মাণের কথা ছিল। তিন বছর পার হয়ে গেলেও ঘাটলাটি নির্মাণ করা হয়নি। প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জনপ্রতিনিধি জানান, ‘ঠিকাদার পাওয়া যাচ্ছে না। তাই কাজটি করতে দেরি হচ্ছে’।

সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘সাজনপুর পূর্বপাড়া আমিনের বাড়ি হইতে নতুন বাজার পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণ’ প্রকল্পের বাস্তবায়ন দেখানো হয়। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা থাকলেও ড্রেনের কোনো অস্তিত্ব নেই। একজন জনপ্রতিনিধি জানান, নতুন বাজারের কাছে কোনো ড্রেন তার চোখে পড়েনি। একইভাবে তালিকার ৫৫নং ক্রমিকের ‘রোদারপুড্ডা দামপাড়া শ্মশানঘাট উন্নয়ন’, ১০২ নং ক্রমিকের ‘আঠারবাড়িয়া কবরস্থান উন্নয়ন’ প্রভৃতি প্রকল্প এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এরকম বহু প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি।

জেলা পরিষদের বরাদ্দ থেকে সারা উপজেলায় অগণিত নলকূপ (টিউবওয়েল) বরাদ্দ করা হয়। বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সর্বোচ্চ ২০০ ফুট গভীর এসব নলকূপ বসাতে ১০-১১ হাজার টাকা ব্যয় হয়। অথচ প্রতিটি নলকূপের ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩৩ থেকে ৫০ হাজার টাকা। এ খাত থেকেও বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ রয়েছে।

জারইতলা ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ ইসহাক রানা বলেন, ‘কামালপুর পুরাতন জামে মসজিদ উন্নয়ন’ প্রকল্পের নামে এক লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. দিল কাশেমসহ কমিটির সদস্যরা তাকে জানিয়েছেন, এক লাখ টাকার স্থলে ‘বাতেন চেয়ারম্যান’ তাদের নিজ হাতে ৬০ হাজার টাকা দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানায়, এক যুগ আগেও তার সহায়-সম্পদ বলতে কিছু ছিল না। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার পর তার ‘ভাগ্য’ বদলে যায়। ভূমি অফিস সূত্র জানায়, মুক্তিযুদ্ধের আগে হিন্দুদের ফেলে যাওয়া প্রায় এক একরের পুকুর ও বাড়ি দখল করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর এটি অর্পিত সম্পত্তি ঘোষিত হয়। পরে মোঃ জাকির হোসেন (বাতেন) ও তার পরিবার আদালতে সত্ত্বের মামলা দায়ের করেন। নানা কায়দায় একতরফা ডিক্রি হাসিল করে রেকর্ডও সংশোধন করিয়ে ফেলেন। এখন তারা কয়েক কোটি টাকার এসব সম্পদ ভোগদখল করছেন।

এলাকাবাসী আরো জানায়, জেলা পরিষদের এ সদস্য একসময় সারের ডিলার ছিলেন। ১৯৯৮ সালে সার কেলেঙ্কারির দায়ে গ্রেপ্তার হয়ে তিনি প্রায় দুই মাস হাজত খাটেন। পরে তার সারের ডিলারশিপ বাতিল হয়। এছাড়া ক্ষমতার দাপটে সরকারি রাস্তায় পুকুর কেটেছেন। নিজে নেপথ্যে থকে নিরীহদের নামে মামলা দিয়ে হয়রানিসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন। তার ভাই মাহমুদুল হাসান ফিরোজ ওরফে কডু থানার দালালি করে বিপুল অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি জনগণকে হয়রানি করে চলেছেন।

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে নিকলীর জেলা পরিষদ সদস্য প্রার্থী ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ জাকির হোসেন বাতেন বলেন, ‘যে পরিমাণ টাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, এই পরিমাণ টাকাজেলা পরিষদ বরাদ্দই দেয়নি। আমি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা ঘুষও গ্রহণ করিনি। উপজেলাজুড়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ আমি স্বেচ্ছায় করেছি। একটি কুচক্রী মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে আমি ১৭ তারিখের নির্বাচনে নির্বাচিত হতে না পারি। কারা এসব অভিযোগ করছে আমি কিছুই জানি না। তবে এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভিত্তিহীন একটি ষড়যন্ত্র। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমার সুনাম নষ্ট করতেই একটি মহল মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করে বেড়াচ্ছে’।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর...
© All rights reserved © 2022 নায়াআলো ডটকম
Developed By HM.SHAMSUDDIN